বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন
ডেস্ক রিপোর্ট
যশোর শিক্ষা বোর্ডে এডহক কমিটি গঠন ও নাম সংশোধনের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এখন আর জেলা প্রশাসক, ইউএনও ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে দিনের পর দিন ঘুরতে হবে না। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে, যশোর -এর চেয়ারম্যানপ্রফেসর ড. মোল্লা আমীর হোসেন সেবা সহজী করণের লক্ষ্যে নতুন করে আরো দু’টি অনলাইন সেবা পদ্ধতির উদ্ভাবনের ফলে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এ ভোগান্তি লাঘব হচ্ছে।শিক্ষা বোর্ড সুত্রে জানা যায়,এডহক কমিটি অনুমোদনের আবেদন করতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদেরকে অভিভাবক প্রতিনিধির জন্য জেলা প্রশাসন/ইউএনও অফিসে এবং শিক্ষক প্রতিনিধির জন্য জেলা শিক্ষা অফিস/মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রতিনিধি নির্বাচন করে শিক্ষা বোর্ডে পাঠালে বোর্ড সভাপতি মনোনয়ন দিয়ে এডহক কমিটি অনুমোদন দিয়ে থাকে। এজন্য শিক্ষক প্রতিনিধি ও অভিভাবক প্রতিনিধি মনোনয়নে এসব অফিসে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বার বার যেতে হয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত কাজ পাবার জন্যএসব অফিসের ষ্টাফদের তোয়াশও করতে হয়। কিন্তু এখন নতুন পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান
প্রধানদের কোন অফিসে যেতে হবে না। উক্ত দুই অফিস প্রধানের মোবাইল নম্বর ও মেইল আইডি অনলাইন আবেদন ফরমের নির্দিষ্ট স্থানে বসিয়ে দিয়ে অনলাইন পেমেন্টসহ দাখিল করলেই তাদের মোবাইল ও মেইলে মনোনয়ন দেবার লিংক চলে যাবে। সেই লিংককে তারা যথাক্রমে অভিভাবক সদস্য ও শিক্ষক প্রতিনিধির নাম ঠিকানা বসিয়ে সেন্ড করলেই বোর্ড থেকে সভাপতি দিয়ে কমিটি অনুমোদন করবে ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে পত্র জারি হবে। যার কপি প্রতিষ্ঠান প্রধান, জেলা প্রশাসক/ইউএনও এবং জেলা শিক্ষা অফিসার/মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের লিংকে চলে যাবে।
আপরদিকে নাম সংশোধনের জন্য প্রশাসনিক তদন্ত আর ম্যানুয়াল হবে না। আবেদনের আইডি থেকেই জেলা প্রশাসকের নিকট আইডি ও পাসওয়ার্ডসহ একটি মেসেজ যাবে,।তদন্ত রিপোর্ট তিনি অনলাইনেই দাখিল করবেন। রিপোর্টটি আবেদনকারীর আইডিতে স্থায়ীভাবে থেকে যাবে এবং সে মোতাবেক নিষ্পত্তি হবে। ফলে রিপোর্টটি মিসিংএর আশঙ্কা থাকবে না। রিপোর্টের জন্য পেন্ডিং আইডিগুলোও সহজে চিহ্নিত করা যাবে। কারো ফলস রিপোর্ট দাখিলেরও কোনো সুযোগ থাকবে না।
স্বাশিপের বিভাগীয় সমন্বয়কারী বঙ্গবাসী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: দেলোয়ার হোসেন এবং বাগেরহাট সদর উপজেলার চুলকাটি ঘনশ্যামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুশীল কুমার বিশ্বাস জানান, “ আমরা যশোর শিক্ষা বোর্ড নিয়ে সব সময় গর্ববোধ করি। বোর্ডের সকল কার্যক্রম অন্যান্য বোর্ড থেকে ভিন্ন ও আধুনিক। প্রশ্ন ব্যাংক সহ বোর্ডের ই-ম্যানেজমেন্ট এর কার্যক্রমে আমরা খুশী। ২০২১ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা ঘরে বসে ফর্ম পুরণ করেছে। এডহক কমিটি ও নাম সংশোধনের নতুন পদ্ধতিতে শিক্ষকদের কষ্ট লাঘব হবে । বোর্ড কর্তৃপক্ষের এ ধরণের সেবা সহজীকরণের উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানাই।”বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোল্লা আমীর হোসেন জানান, “ আমি শিক্ষকদেরকে সম্মানজনক স্থানে রাখতে বদ্ধপরিকর। শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠানের কাজ করতে এসে অসম্মানিত বা হয়রানী যাতে না হতে হয়। এজন্য তাদের বোর্ডে আসা বন্ধ করেছি,।এখন অন্যান্য অফিসে যাওয়াও বন্ধ হবে। প্রতিষ্ঠানে বসেই যাতে বোর্ডের সকল সেবা পায় তা নিশ্চিত করেছি।
Leave a Reply